পাক-ভারতের শত্রু-মিত্র

Sep 27, 2016 10:20 am


আলফাজ আনাম

পাকিস্তান ও ভারতের উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় পরাশক্তি ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত অবস্থানের দিকটি এবার স্পষ্ট হয়ে গেল। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যে নতুন সমীকরণ চলছে তার দৃশ্যমান প্রভাব বোঝা গেল। যদিও ভারতের গণমাধ্যম যেভাবে যুদ্ধোন্মাদনা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে সে ব্যাপারে দেশটির রাজনীতিক ও সেনা কর্মকর্তারা ছিলেন অনেক সতর্ক। ১৮ সেপ্টেম্বর কাশ্মিরে ভারতীয় সেনা ঘাঁটিতে চারজন অজ্ঞাত পরিচয় সন্ত্রাসীর হামলায় ১৮ জন সেনা নিহত হয়। এ ঘটনায় ভারতের ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ভারতের গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক যাদের বেশির ভাগ সাবেক সেনা কর্মকর্তা, দাবি করতে থাকেন পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গিয়ে হামলা করতে। এমনকি ভারতের কিছু সংবাদপত্রে কিভাবে এসব হামলা চালানো হতে পারে তার পরিকল্পনার দিকও তুলে ধরা হয়। ভারতের সাবেক বাঙালি সেনাপ্রধান জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরী প্রস্তাব দেন, ভারতের আত্মঘাতী বাহিনী তৈরি করা উচিত যারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গিয়ে হামলা করবে। এমন উত্তেজনাকর ও বাগাড়ম্বরপূর্ণ আলোচনার মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, যারা এসব হামলার সাথে জড়িত তাদের বিচার করা হবে। একই সাথে সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসীরা আসছে বলে তিনি দাবি করেন। এরপর ভারতের কৌশল ছিল কূটনৈতিকভাবে কিভাবে পাকিস্তানকে একঘরে করে ফেলা যায়।


অপর দিকে, পাকিস্তান এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চীন ও রাশিয়ার সাথে দেশটির ঘনিষ্ঠতা কোন মাত্রায় রয়েছে তা বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। ভারতের পাশে থাকার পক্ষে যখন বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান কথা দিয়েছে, তখন পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন ও রাশিয়া। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো ভারতের সেনা ঘাঁটিতে হামলার নিন্দা করলেও এ ব্যাপারে পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করেনি। এমনকি ব্রিটেন যে বিবৃতি দেয় তাতে কাশ্মিরের অবস্থান প্রসঙ্গে বলা হয়, ভারত ‘নিয়ন্ত্রিত’ কাশ্মির। আন্তর্জাতিক ইস্যুতে অনেকটা নীরব থাকা ওআইসির পক্ষ থেকে এ কয়েক দিনে একাধিকবার কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করা হয়। ফলে পাকিস্তানকে কূটনৈতিক চাপে ফেলার ভারতের প্রচেষ্টা নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।


এর মধ্যে কেরালায় বিজেপির সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বক্তব্য রাখেন, তাতে তিনি উত্তেজনা থিতিয়ে এনে দুদেশের সম্পর্কে অন্য চ্যালেঞ্জ প্রদান করেন। নরেন্দ্র মোদি বলেন, দারিদ্র্য হঠানোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোন দেশ এগিয়ে, আসুন সেই যুদ্ধ করি। তিনি বলেন, ‘কে কত বেশি উন্নয়ন করতে পারে এরই প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানকে জেতার চ্যালেঞ্জ’ দিচ্ছি। এটা হবে কে আগে বেশি চাকরি সৃষ্টি করা, দারিদ্র্য দূর করা আর শিক্ষার হার বাড়াতে পারে এরই চ্যালেঞ্জ’। তিনি বলছেন, পাকিস্তানের জনগণের তাদের নেতাদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে ‘আমরা দুই দেশ একই সময়ে স্বাধীন হয়েছি। কিন্তু আমরা করি সফটওয়ার রফতানি আর পাকিস্তান করে সন্ত্রাসবাদ রফতানি, কেন’। মোদির এই বক্তব্য ছিল ভারতের অভ্যন্তরে যুদ্ধোন্মাদনা সৃষ্টির প্রচেষ্টা থেকে সরে আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত। এরপর ভারতের গণমাধ্যমের সুর নরম হয়ে আসে। কাশ্মির ও সেনা অভিযানের আগাম বিশ্লেষণমূলক খবরগুলোর গুরুত্ব কমতে থাকে। এমনকি ভারত যুদ্ধের জন্য এখন প্রস্তুত নয় এবং দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন ধরনের দুর্বলতার খবর প্রকাশ পেতে থাকে।


ভারতের জনমানসে পাকিস্তানের সাথে লড়াইয়ে যে ধরনের উত্তেজনা থাকে চীনের সাথে লড়াইয়ের প্রশ্ন এলে তাতে আবেগের মাত্রা কমে যেতে থাকে। এর কারণ ভারতের দু’টি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পরাজয়ের পেছনে ভারতের প্রধান ভূমিকা। ভারত এই যুদ্ধকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয় হিসেবে দেখে থাকে। অপর দিকে, ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের কাছে ভারত শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল। চীন এখন বিশে^র এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। সামরিক দিক দিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান রয়েছে। কিন্তু এর পরও ভারতের মধ্যে চীনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাসনা গোপন থাকে না। এর প্রকাশ শুধু পাকিস্তানের সাথে বিরোধের মধ্যে ঘটে থাকে তা নয়, ভিয়েতনামের সাথে চীনের সামরিক সম্পর্ক কিংবা আসিয়ান দেশগুলোর সাথে ভারতের সম্পর্কের মধ্যে ফুটে ওঠে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার হওয়ার পর ভারতের আমলাতন্ত্র ও নন স্টেট অ্যাক্টরদের মধ্যে আত্মবিশ^াসের মাত্রা এতটাই বেড়ে গেছে যে, আঞ্চলিক শক্তি থেকে ভারতকে সুপার পাওয়ার ভাবতে শুরু করেছে।


ভারতের এই মনোভঙ্গি চীন ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারে। এর ফল হিসাবে ভারত যতটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ট হয়েছে, চীন ততটাই পাকিস্তানের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করেছে। দু’দেশের উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেয়ার ফাঁকে চীনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে চীনা প্রধানমন্ত্রী খুব স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, পাকিস্তানের পাশে চীন থাকবে। এর আগে ২০১৫ সালের জুন মাসে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১০ বছরের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর ধারাবাহিকতায় এ বছরের এপ্রিলে দুদেশের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের ব্যাপারে দু’দেশ চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের সাথে সাথে পাকিস্তান জানিয়ে দেয় চীনের সাথে একই ধরনের চুক্তি আগেই পাকিস্তান স্বাক্ষর করেছে। পাকিস্তানের গোয়াদর বন্দর থেকে কাশ্মিরের সীমান্তঘেঁষা গিলগিট বাল্টিস্থান হয়ে চীনের কাশগড় পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডোর স্থাপন নিয়ে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ভারত মনে করে বেলুচিস্তানের গোয়াদর বন্দর থেকে চীন যে রাস্তা নির্মাণ করছে এর সামরিক গুরুত্ব ভারতকে কোণঠাসা করে ফেলবে। ভারতের এই উদ্বেগ নরেন্দ্র মোদির পাকিস্তান নীতিকে প্রভাবিত করছে। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন থেকে অভিযোগ করে আসছে, ভারত বেলুচিস্তানের বিদ্রোহীদের সহায়তা দিয়ে আসছে। মোদির এই ঘোষণার পর বালুচ বিদ্রোহীদের সাথে ভারতের সম্পর্কের দিকটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বেলুচিস্তানের নিরাপত্তা শুধু পাকিস্তান নয় চীনের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পাকিস্তানে চীন যে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করেছে তার বড় অংশ বেলুচিস্তানকেন্দ্রিক। এছাড়া বেলুচিস্তানের গোয়াদর বন্দর থেকে চীন সহজে আরব সাগরে প্রবেশের সুযোগ পাবে। এ ছাড়া বেলুচিস্তানে অস্থিরতায় ভারতের ভূমিকায় ইরানও উদ্বিগ্ন। কারণ বেলুচিস্তানের একটি অংশ ইরানে। স্বাধীন বেলুচিস্তানের যেকোনো প্রচেষ্টা ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি। ফলে বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ভারতের প্রকাশ্য সমর্থন পাকিস্তানের সাথে চীনের কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের পথকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। বেশকিছুদিন থেকেই চীনের ভূমিকায় ভারতের হতাশা বাড়ছে। নিউক্লিয়ার্স সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের সদস্যপদ লাভের প্রকাশ্য বিরোধিতা করছে চীন। পাকিস্তান এই গ্রুপের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করছে গত মে মাসে। তাতে চীন ও তুরস্ক সমর্থন দিয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় পাকিস্তানের প্রতি চীনের প্রকাশ্য অবস্থান এই কৌশলগত সম্পর্কের অংশ মাত্র।


কাশ্মির ইস্যুতে ভারত যখন পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে চাপের ফেলার চেষ্টা করছে, তখন পাকিস্তানের বিমানবাহিনী মহড়া শুরু করে। পাকিস্তানের এফ-১৬ জঙ্গিবিমান লাহোর থেকে রাওয়ালপিণ্ডি পর্যন্ত মহাসড়কে ওঠানামার মহড়া দেয়। এই মহাসড়কটি চীনের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে। ৩৭৫ কিলোমিটারের এই মহাসড়কটি পাকিস্তান বিমানবাহিনী রানওয়ে হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ভারতের বিমানবাহিনী তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। ইকোনমিস্ট এক বিশ্লেষণে জানাচ্ছে, ভারতীয় অস্ত্রসজ্জায় বড় ধরনের ফাঁক আছে। সত্যিকার অর্থেই ভারতের অস্ত্রশস্ত্র পুরনো বা অবহেলিত। ‘আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা রয়েছে করুণ দশায়’, ইকোনমিস্টকে বলেন ভারতের সামরিকবিষয়ক ভাষ্যকার অজয় শুক্লা। বিমানবাহিনীতে সক্রিয় ফাইটার যেগুলো দেখা যায়, সেগুলোর সবই ১৯৭০-এর দশকের পুরনো। চমকপ্রদ নতুন কিছু স্থাপন করতে হয়তো আরো ১০ বছর লাগবে। প্রায় দুই হাজার বিমান নিয়ে কাগজে-কলমে ভারতের বিমানবাহিনী বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম। কিন্তু ২০১৪ সালে প্রতিরক্ষা প্রকাশনা আইএইচএস জেনসের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, এগুলোর মাত্র ৬০ ভাগ ওড়ার মতো অবস্থায় আছে। চলতি বছরের প্রথম দিকের আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমান শাখার গর্ব বিবেচিত ৪৫টি মিগ২-কে বিমানের মাত্র ১৬ ভাগ থেকে ৩৮ ভাগের কাজ করার সামর্থ্য রয়েছে। বিমানবাহী যে রণতরীটি নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি থেকে এসব বিমান উড়বে বলে ধরা হচ্ছে। ওই বিমানবাহী রণতরী ১৫ বছর আগে অর্ডার দেয়া হয়েছিল, ২০১০ সালে উদ্বোধন করা হবে বলে আশা করা হয়েছিল। সরকারি নিরীক্ষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১১৫০টি পরিবর্তনের পর এখন সেটি ২০২৩ সালের আগে পানিতে ভাসবে বলে মনে হচ্ছে না।


ভারতের বিমানবাহিনীর এসব দুর্বলতার দিক সামনে রেখে পাকিস্তান বিমানবাহিনী মহড়া চালায় বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। পাকিস্তানের এসব তৎপরতা ছিল ভারতের ওপর উল্টো চাপ প্রয়োগের কৌশল। এমন পরিস্থিতিতে ফ্রান্স থেকে ভারত ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করে। এগুলো হাতে আসতে আরো পাঁচ বছর লাগবে। এই ৩৬টি বিমানের দাম পড়বে ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। আর এতে ফ্রান্সে পাঁচ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। বিপুল অংকের অর্থব্যয় করে এসব যুদ্ধ বিমান কেনা সঠিক কিনা তা নিয়ে ভারতে আগে বিতর্ক ছিল।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপমুখী ভারতের এ ধরনের প্রবণতা দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু রাশিয়াকে ভারতের দিক থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। এখন তা আরো দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলার জন্য দিল্লিতে যখন ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বিভিন্ন আলোচনায় ব্যস্ত, তখন রাশিয়ার ২০০ সৈন্য পাকিস্তানে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়ার জন্য পৌঁছে যায়। ভারতের পক্ষ থেকে দেন দরবার করা হয় যে, রাশিয়া যেন এই সময় পাকিস্তানের সাথে সামরিক মহড়া স্থগিত রাখে। ভারতের এই অনুরোধে সাড়া দেয়নি রাশিয়া। অবশ্য সাড়া দেয়ার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না। উল্টো পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের গিলগিট বাল্টিস্থানে সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে দুদেশের সৈন্যরা। ভারত এই স্থানটিকে বিতর্কিত হিসাবে চিহ্নিত করে। রাশিয়া-পাকিস্তান সামরিক মহড়া এবারই প্রথম হচ্ছে এবং এটি আগে থেকে নির্ধারিত ছিল। কিন্তু দুদেশের মধ্যে অস্থিরতার মধ্যে এই মহড়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ২০১৪ সালের নভেম্বরে রাশিয়া ও পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর পর থেকে পাকিস্তান রাশিয়া থেকে সমরাস্ত্র কিনতে শুরু করেছে। বেশ কিছু এমআই হেলিকপ্টার ও ট্যাংক কেনার বিষয়ে দু’দেশ একমত হয়েছে। রাশিয়া ও চীনের সাথে যখন পাকিস্তানের কৌশলগত সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেশটির দূরত্ব বাড়ছে। চীন ও পাকিস্তানের কৌশলগত সম্পর্কের চাপে থাকা ভারতের জন্য পাকিস্তানের সাথে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা আরো বেশি উদ্বেগের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।
alfazanambd@yahoo.com


 

[X]